একটি লোগো তখনই অর্থবহ হয়, যখন তার পেছনে একটা কমপ্লিট “ভিজ্যুয়াল সিস্টেম” থাকে। ভিজ্যুয়াল সিস্টেম মানে হলো—আপনার ব্র্যান্ডের নির্দিষ্ট কালার প্যালেট, টাইপোগ্রাফি, শেপ, ইলাস্ট্রেশন এবং গ্রাফিক্সের একটা সুনির্দিষ্ট প্যাটার্ন বা নিয়ম। কাস্টমার যখন আপনার ওয়েবসাইট, প্যাকেজিং, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট বা ডেলিভারি বক্স দেখবে, প্রতিটা জায়গায় একই ভিজ্যুয়াল প্যাটার্ন তার চোখে পড়বে।
লোগো ছাড়া শুধু এই ভিজ্যুয়াল প্যাটার্ন দেখেই কাস্টমার যেন অবচেতনভাবেই চিনে ফেলতে পারে এটা আপনার ব্র্যান্ড। কোকা-কোলা বা অ্যাপলের লোগো সরিয়ে নিলেও শুধু তাদের কালার, ফন্ট আর মিনিমালিজম দেখেই কিন্তু আমরা ব্র্যান্ডটাকে চিনে ফেলি।
যখন প্রতিটা কাস্টমার টাচপয়েন্টে আপনার ব্র্যান্ডের ভিজ্যুয়াল কনসিস্টেন্সি বজায় থাকবে, তখনই বাজারে আপনার ব্র্যান্ডের একটি শক্ত অথরিটি ও ট্রাস্ট তৈরি হবে। লোগো আপনার ব্যবসা চেনা সহজ করে, কিন্তু ভিজ্যুয়াল সিস্টেম আপনার ব্যবসাকে প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডে রূপান্তর করে।
১. ভিজ্যুয়াল সিস্টেমের প্রধান এলিমেন্টগুলো কী কী? ভিজ্যুয়াল সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে সুনির্দিষ্ট কালার প্যালেট, টাইপোগ্রাফি (ফন্ট চয়েস), শেপ, ইলাস্ট্রেশন এবং সোশ্যাল মিডিয়া বা প্যাকেজিংয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট গ্রাফিক্স লে-আউট প্যাটার্ন।
২. কেন একটি সস্তা লোগো ব্যবসার ব্র্যান্ড ভ্যালু নষ্ট করে? সস্তা বা র্যান্ডম লোগো কোনো মার্কেট রিসার্চ বা ব্র্যান্ড মেসেজ ছাড়া তৈরি হয়। এর ফলে কাস্টমারের কাছে ব্র্যান্ডটিকে অপেশাদার ও সস্তা মনে হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে প্রিমিয়াম প্রাইস চার্জ করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।